13মি. 57সে.

ফুল ও পাখির নকশাওয়ালা বড় বাটি (কাকিয়েমোন ধরনের ইমারি-ওয়্যার পোরসেলিন) (Iroe kachoumon o-fukabachi)

খ্যাতনামা জাপানি শিল্পকর্ম

সম্প্রচারের তারিখ 6 ফেব্রুয়ারি, 2018 পাওয়া যাবে 31 মার্চ, 2029 পর্যন্ত

সাদা রঙ এর ওপর পাখি ও ফুলের উজ্জ্বল নকশা সংবলিত একটি বাটি। এটি কাকিয়েমোন ঘরানার ইমারি পোর্সেলিন বা চিনামাটির তৈরি তৈজসপত্রের এক উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মের নিদর্শন। সপ্তদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইমারি বন্দর থেকে সারাবিশ্বে ইমারি তৈজসপত্র নামে সুপরিচিত বেশ কয়েক রকমের চিনামাটির বাসন রপ্তানি করা হতো। জাপানি শাসক হিদেইয়োশির কোরিয়া আক্রমণের সময় তাঁর সেনাদের কেউ কেউ ফেরার সময় কয়েকজন কোরিয় মৃৎশিল্পী জাপানে নিয়ে আসেন। তারপর কিউশুতে তাদের মাধ্যমে এই মৃৎশিল্পের কাঁচামাল কেওলিন উদঘাটন করার পর জাপানে পোর্সেলিন উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয়। শাসন ক্ষমতা নিয়ে চিনা রাজবংশের মধ্যে উদ্ভূত অস্থিরতার কারণে জাপানে সদ্যজাত পোর্সেলিন শিল্পের উত্তরণ ঘটতে থাকে। একদিকে, পালিয়ে আসা অনেক চিনা মৃৎশিল্প কারিগরের মাধ্যমে তাদের আয়ত্ত্বে থাকা রঙিন এনামেল কৌশল জাপানে চলে আসে। অন্যদিকে, গৃহযুদ্ধের কারণে চিন থেকে চিনামাটির পন্যসামগ্রী রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময়ে ডাচ ব্যবসায়ীদের হাতে ছিল এশিয় বাণিজ্যের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। চিনের এই উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এসব ব্যবসায়ী জাপানমুখি বাণিজ্যে সম্পৃক্ত হয়ে সারা বিশ্বে জাপানি পোর্সেলিন রপ্তানি শুরু করেন। আকষ্মিক পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে এই দৃষ্টিনন্দন বাটির উৎপত্তি হয়।

photo

অনুষ্ঠানের রূপরেখা