14মি. 09সে.

“দোয়েলের আদল বিশিষ্ট বাটি (মিনো ওয়্যার, নেযুমি শিনো ধরনের)” (Nezumi Shino Sekirei-mon Hachi)

খ্যাতনামা জাপানি শিল্পকর্ম

সম্প্রচারের তারিখ 20 অক্টোবর, 2016 পাওয়া যাবে 31 মার্চ, 2029 পর্যন্ত

অগভীর, অপ্রতিসম গোলকার একটি বাটি। এর অধিকাংশই ধূসর, তবে একটি স্থানে নীচ দিয়ে প্রবাহমান জলস্রোতের মধ্যে মাথা উঁচু করে থাকা একটি পাথরের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি দোয়েল পাখি, যেটি আবার সাদা। চীনেমাটির পাত্রে সাধারণত প্রথমে রঙ করে পরে নকশা বা ছবির স্থান থেকে আঁচড়ে রঙ তুলে ফেলা হত। এই বিশেষ শিল্পকর্মে বাটি রঙ করার সময় খানিকটা অংশ বাদ পড়ে গিয়েছিল যা অনেকটা পাথরের আকারের। আর সেটাই এই ছবির পিছনে ভূমিকা রেখেছে। ষোড়শ শতকের শেষভাগ এবং সপ্তদশ শতকের গোঁড়ার দিকে জাপানে যুদ্ধ এবং গতিশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ব্যাপক সামাজিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল। সবকিছু মিলে জাপানে একটা নতুন নান্দনিক বোধ তৈরি হয়। অবাধে এবং কিছুটা শিনো ধারার তৈরি এই বাটিতে সেই নতুন নান্দনিক বোধ সম্পর্কে সচেতনার ছাপ রয়েছে। কালের পরিক্রমায়, আবারও রুচি বদলের ঘটনা ঘটে এবং এসব শিল্পকর্ম কোথায় তৈরি হয়েছিল মানুষ সেটাও বিস্মৃত হয়। বিংশ শতকে শিনো ধারার বাসনপত্র নির্মাণের আদিভূমি, মিনো এলাকায় মৃৎপণ্য নির্মাণ চুল্লি পুনরায় আবিষ্কারের মাধ্যমে আজ আমরা জানতে পেরেছি, এই এলাকার মৃৎশিল্প তৎকালীন মৃৎশিল্প জগতে কত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

photo

অনুষ্ঠানের রূপরেখা