জাপান ও ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রীরা দুটি দেশের সম্পর্ক পুনঃনিশ্চিত করেছেন

জাপানের প্রধানমন্ত্রী এবং তার ভিয়েতনামি প্রতিপক্ষ, দৃশ্যত চীনের পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে একত্রে কাজ করার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন।

কিশিদা ফুমিও বুধবার টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ফাম মিন চিনের সাথে প্রায় এক ঘণ্টা ব্যাপী এক বৈঠকে মিলিত হন। চিন হলেন প্রথম বিদেশি নেতা, দায়িত্ব গ্রহণের পর কিশিদা যার সাথে জাপানে সাক্ষাৎ করলেন।

নৌ এবং বিমান চলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্বের বিষয়টি কিশিদা এবং চিন পুনঃনিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনের ভিত্তিতে বৈশ্বিক শৃঙ্খলা শক্তিশালী করে তোলা এবং তা বজায় রাখার বিষয়ে সম্মত হন। পূর্ব এবং দক্ষিণ চীন সাগরে চীন তাদের সামুদ্রিক কর্মকাণ্ড ক্রমাগত বৃদ্ধি করে নিচ্ছে।

আন্তঃপ্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশীদার চুক্তি টিপিপি’র জন্য ব্যাপক ভিত্তিক এবং অগ্রগতিশীল চুক্তির উচ্চ পর্যায়ের উদারীকরণের লক্ষ্যে নিয়মাবলী বজায় রাখার বিষয়েও কিশিদা এবং চিন সম্মত হয়েছেন। ঐ বাণিজ্য চুক্তিতে যোগ দেয়ার জন্য চীন আবেদন করেছে। জাপান ও ভিয়েতনাম, উভয়েই ১১টি দেশ নিয়ে তৈরি ঐ কাঠামোর সদস্য। জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সরবরাহ চক্রকে শক্তিশালী এবং বহুমুখী করে তুলতে সহযোগিতা করার বিষয়ে চিন সম্মত হয়েছেন।