কাতার বিশ্বকাপের প্রাক্কালে কর্মীদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত খেলাগুলোর এক বছরের দিন গণনা শুরু হওয়ার মাঝে কাতারের অভিবাসী কর্মীদের অধিকার এবং কল্যাণ নিয়ে সংশ্লিষ্টরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। মানবাধিকার সংক্রান্ত গ্রুপগুলো জানাচ্ছে, বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণস্থলের খুব খারাপ পরিস্থিতির কারণে অনেক কর্মী মারা গেছেন।

মধ্যপ্রাচ্যে প্রথম বারের মত অনুষ্ঠেয় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের ২১ তারিখে রাজধানী দোহায় শুরু হবে।

কাতার সরকার জানাচ্ছে, একমাস ব্যাপী এই প্রতিযোগিতা চলাকালীন তারা ১২ লক্ষ দর্শককে আকর্ষণ করতে পারবে বলে আশা করছে। তবে তারা এখন কর্মী নির্যাতনের সমালোচনা সামাল দেয়ার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

অভিবাসী কর্মীরা ৭টি স্টেডিয়াম, একটি পাতালরেল ব্যবস্থা এবং সড়ক ও হোটেল নির্মাণ করে আসছেন। এদের মধ্যে অনেকেই ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপালের মত দক্ষিণ এশীয় দেশসমূহ থেকে এসেছেন।

তবে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানাচ্ছে, কাতারকে ২০২২ সালের প্রতিযোগিতার স্বাগতিক দেশ হিসেবে বেছে নেয়ার সময় ২০১০ সাল থেকে এধরনের হাজার হাজার কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

অ্যামনেস্টি এও জানাচ্ছে, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তাদেরকে দীর্ঘসময় ধরে কাজ করতে বাধ্য করা হয়। তারা আরও জানাচ্ছে, তাদের মৃত্যুর কারণ খুঁজে দেখার জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খ কোন অনুসন্ধানও চালানো হয়নি।

গ্রুপটি কর্ম পরিবেশের উন্নয়নের পাশাপাশি কাজের চুক্তিসমূহের সংশোধনের জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছে যেগুলোকে তারা নিয়োগদাতার অনুকূলে বলে উল্লেখ করেছে। এদিকে, বিশ্বকাপের চূড়ান্ত খেলায় অংশ নেয়ার জন্য প্রতিযোগিতারত দেশসমূহও একই ধরনের আহ্বান জানাচ্ছে।