জাপানের ৫৫ লক্ষ কোটি ইয়েনের অর্থনৈতিক থোক গ্রহণ

জাপানের মন্ত্রিপরিষদ, বৈশ্বিক মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে একটি অর্থনৈতিক থোকের অনুমোদন দিয়েছে। প্রায় ৪৮ হাজার কোটি ডলারের সরকারি এই ব্যয় এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী কিশিদা ফুমিও বলেন, “বৈশ্বিক মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠনে আমরা এই অর্থনৈতিক পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। আমরা আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ড পুনরায় শুরুর বিষয়টিকে উৎসাহ দেয়ার মধ্য দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে নেব।”

এক্ষেত্রে, করোনাভাইরাস মোকাবেলার উপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে। সরকার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এমনভাবে জোরদার করতে চায় যাতে ভাইরাসটি দ্বিগুণ সংক্রামক হওয়ার মত পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করা যায়।

এতে, পরিবারগুলোর জন্য নির্ধারিত সহায়তার মধ্যে অনুর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সীদের জন্য এককালীন প্রায় ৯শ ডলারের সমমানের অর্থ প্রদানের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বৈশ্বিক মহামারীর কারণে বিক্রি কমে যাওয়া বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আর্থিক সহায়তা পেতে সক্ষম হবে।

তেলের পাইকারি বিক্রেতারা অপরিশোধিত তেলের উচ্চমূল্যের ক্ষতি পোষাতে ভর্তুকি পাবে। গ্যাস ও অন্যান্য তেল জাতীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, পর্যটন শিল্পও পুনরায় ভর্তুকি পাবে।

ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন এবং পর্যটন মন্ত্রী সাইতো তেৎসুও বলেন, নতুন বছরের ছুটির সময়ে সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণের পরে তিনি আবারও দেশব্যাপী ভ্রমণ বিষয়ক গো-টু ট্রাভেল কর্মসূচি শুরুর প্রত্যাশা করছেন।