জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে জাপানের জিডিপি প্রকৃত অর্থে বার্ষিক ভিত্তিতে ৩% সংকুচিত

জাপানের সর্বশেষ মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা জিডিপির উপাত্ত থেকে দেখা যাচ্ছে যে, দেশের অর্থনীতি জুলাই-সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে সংকুচিত হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী ভোক্তা ব্যয়ের উপর প্রভাব ফেলার মাঝে দুই ত্রৈমাসিকের মধ্যে এটাই প্রথম সংকোচন।

মন্ত্রিপরিষদ সোমবার জিডিপি’র প্রাথমিক সংখ্যা প্রকাশ করে। এই সংখ্যা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, জিডিপি মুদ্রাস্ফীতি-সমন্বয়ের অর্থে গত ত্রৈমাসিক থেকে শূন্য দশমিক আট শতাংশ কমে গেছে। এর অর্থ হচ্ছে বার্ষিক ৩% সংকোচন হয়েছে।

এই হ্রাস পাওয়া থেকে ভোক্তা ব্যয়ে একটি পতন প্রতিফলিত হচ্ছে যা এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকের সংখ্যা থেকে ১.১% হ্রাস পেয়েছে।
ব্যক্তিগত ভোগ্যপণ্য ব্যয় জাপানের জিডিপি’র অর্ধেকেরও বেশি অংশ জুড়ে থাকে।

টোকিও এবং ওসাকা’সহ অন্য কয়েকটি জেলায় একটি বৈশ্বিক মহামারী জনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা জারি থাকার মাঝে, জনগণ ভ্রমণ এবং বাইরে খেতে যাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। এছাড়া, ভোক্তারা অপেক্ষাকৃত স্বল্প পরিমাণে গৃহস্থালি সংক্রান্ত পণ্য কিনেছেন।

এর পাশাপাশি রপ্তানিও কমে গেছে ২.১%।

মোটরগাড়ি নির্মাতারা বৈশ্বিক চিপ ঘাটতির কারণে উৎপাদন হ্রাস করে। এছাড়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটার বিষয়টিও এতে একটি ভূমিকা রাখে।

সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন, জিডিপি চলতি বছরের শেষ নাগাদের মধ্যে বৈশ্বিক মহামারীর পূর্বাবস্থায় ফিরে যাবে।

অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন মন্ত্রী ইয়ামাগিওয়া দাইশিরো বলছেন, “এখন কোভিড’এ আক্রান্তের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ায়, আমরা অনুভব করছি যে, অর্থনীতি অবশেষে উর্ধ্বমুখী হচ্ছে এবং পুনরুদ্ধারের পথে রয়েছে। আমরা আশাবাদী যে, আগামী ত্রৈমাসিকে পরিস্থিতি এমনকি আরও ইতিবাচক হবে।