জাপানকে কার্বন দর চালুর আহ্বান বিশেষজ্ঞের

একটি পরিবেশ সংরক্ষণ গ্রুপের একজন বিশেষজ্ঞ জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে গৃহীত নতুন এক প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করলেও তিনি এই বলে সতর্ক করে দিয়েছেন যে একটি নিম্ন-কার্বন নিঃসরণের সমাজ অর্জনে জাপানের আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে।

ডব্লিউডব্লিউএফ জাপানের কোনিশি মাসাকো বলেছেন, কপ ২৬ এটি স্পষ্ট করেছে যে বিশ্বকে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প যুগের পর্যায়ের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম থেকে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত করা উচিত।

কোনিশি বলেন, এর অর্থ হল জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিটি সর্বশেষ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের ভিত্তিতে বিকশিত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্যারিস চুক্তি যখন গৃহীত হয়েছিল, তখন এই অগ্রগতির বিষয়টি অকল্পনীয় ছিল।

নিঃসরণ বাণিজ্যের বাজার পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, কপ ২৬ ইতিপূর্বে সিদ্ধান্ত না নেয়া বিষয় নিয়ে বিধিমালা প্রণয়ন করায় তা প্যারিস চুক্তিকে পূর্ণাঙ্গ করেছে।

তবে, কোনিশি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন সামাল দেয়ার পর্যাপ্ত নীতির অভাবের কারণে জাপান বড় আকারের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন বাণিজ্য বাজার প্রতিষ্ঠাকালীন জাপানের খুব দ্রুত কার্বন দর চালু করতে হবে এবং একটি বাস্তবসম্মত সময়সূচির ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্পখাতে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের প্রচেষ্টা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, কার্বন দরের উদাহরণের মধ্যে কার্বন কর এবং নিঃসরণ বাণিজ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।