জানুয়ারি মাসে কার্যকর হচ্ছে আরসিইপি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি

আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদার চুক্তি আরসিইপি জানুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হবে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলের পনেরোটি অর্থনীতি এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশসমূহের জোট আসিয়ানের দশটি সদস্য গত বছর নভেম্বর মাসে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে ১ জানুয়ারি থেকে এই অংশীদার কার্যকর হবে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড নিজেদের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্পর্কে জানানো দলিল আসিয়ানের সচিবালয়ে পাঠানোর পর এই অগ্রগতি সূচীত হয়।

বিশ্বের জনসংখ্যা এবং মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ আরসিইপি’র আওতায় পড়বে। প্রায় ৯০ শতাংশ পণ্যের উপর থেকে শুল্ক এটা তুলে নেবে।
চুক্তি থেকে বড় ধরনের সুবিধা পাওয়া জাপান প্রত্যাশা করছে। তবে এর কাঠামোর মধ্যে যেন আইনগত এবং আন্তর্জাতিক নিয়মাবলী বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করে নিতে সুনির্দিষ্ট কৌশল জাপানকে ঠিক করে নিতে হবে।

আরসিইপি করোনাভাইরাস মহামারির কারণে অর্থনীতির নিম্নমুখী যাত্রা থেকে বের হয়ে আসতে জাপানকে সাহায্য করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র এর সদস্য নয়। এরকম ধারণা বিরাজমান আছে যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির অনুপস্থিতিতে চীনের ভূমিকা ও প্রভাব এটা বাড়িয়ে দেবে। এশিয়ার আরেক বৃহৎ শক্তি ভারত শুরুতে আলোচনায় অংশ নিয়েছিল। তবে চুক্তি চূড়ান্ত করে নেয়া থেকে দেশটি শেষ পর্যন্ত বিরত থাকে।

এটা হবে দেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার চীনের সাথে জাপানের প্রথম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।