জাপানি এবং চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মধ্যে টেলিফোন সংলাপ

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিৎসু এবং তার চীনা প্রতিপক্ষ ওয়াং ইই টেলিফোনে আলোচনা করেছেন। এই সংলাপ সোমবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বিশেষ করে আগামী বছর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ৫০তম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে, মোতেগি দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদির ক্ষেত্রে বিস্তৃত পরিসরে অগ্রগতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

মোতেগি চীনের উপকূলরক্ষী বাহিনীকে অস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেয়া একটি নতুন আইন এবং পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিং’এর ক্রমবর্ধমান কর্মকাণ্ড নিয়েও উদ্বেগ ব্যক্ত করেন।

তিনি এও বলেন, তিনি হংকং পরিস্থিতি ও শিনজিয়াং’এর মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়েও উদ্বিগ্ন রয়েছেন এবং বেইজিং’এর প্রতি এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কর্মপন্থা অবলম্বনের আহ্বান জানান।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ওয়াং মোতেগি’র সাথে এই মর্মে মতৈক্যে পৌঁছান যে, তাদের দুই দেশ টোকিও গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং বেইজিং’এর শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনে একে অপরকে সহযোগিতা করবে।

ওয়াং এও বলেন, বেইজিং ৫০ বছর পূর্তির প্রাক্কালে জাপানি ও চীনা জনগণের একের প্রতি অন্যের অনুভূতির উন্নয়নে সহযোগিতা করার ব্যাপারেও আগ্রহী।

তবে, মন্ত্রণালয় জানায়, ওয়াং হংকং ও শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলোর মত চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ না করার জন্য টোকিও’কে সতর্ক করে দেন।

মন্ত্রণালয় এও জানায়, ওয়াং মোতেগি’কে বলেছেন, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিত্র দেশ হওয়া সত্ত্বেও চীনের সাথে স্বাক্ষরিত শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি মেনে নেয়ার নীতিগত বাধ্যবাধকতা জাপানের রয়েছে।