জর্ডানের রাজার সৎ-ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির এক নীলনকশায় বিদেশি পক্ষের সাথে ষড়যন্ত্র করেছেন বলে রাজা আব্দুল্লাহ’র সৎ-ভাইকে অভিযুক্ত করেছেন।

আয়মান সাফাদি রবিবার রাজধানী আম্মান’এ এক সংবাদ সম্মেলনে রাজপুত্র হামযাহ বিন হুসেইন’এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।

সাফাদি বলেন, রাজপুত্র হামযাহ তদন্তাধীন ছিলেন এবং তার ঘনিষ্ঠ রাজপরিবারের সদস্যরা’সহ অন্য আরও ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।

সাফাদি নীলনকশা বা বিদেশি পক্ষের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে তিনি বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে, তাদের “কর্মকাণ্ড এবং গতিবিধি এমন এক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছেছিল যে তা সরাসরি দেশের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলেছে।”

রাজপুত্র হামযাহ যখন রাজা আবদুল্লাহ সিংহাসনে আরোহণ করেন, তখন ১৯৯৯ সালে যুবরাজে পরিণত হন। তবে, রাজার সাথে তার সম্পর্ক তিক্ত হয়ে পড়েছে, এমন জল্পনা-কল্পনা বেড়ে ওঠায়, ২০০৪ সালে তার এই খেতাব কেড়ে নেয়া হয়।

রাজপুত্র হামযাহ বিবিসি’র কাছে পৌঁছে দেয়া এক ভিডিওচিত্রে কোন ধরনের অপরাধ করার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তাকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে।

একটি স্থিতিশীল রাজতন্ত্র হিসেবে খ্যাতি অর্জনকারী যুক্তরাষ্ট্রের এই মিত্র দেশ জর্ডানের জন্য রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় জড়িত হয়ে পড়া একটি বিরল ঘটনা।

যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো রাজা আবদুল্লাহ’কে সমর্থন করে বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তারা জর্ডানের পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রত্যাশা করছেন যে দেশটি অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে না।