ফুকুশিমায় পরীক্ষার পর প্রথম মাছের চালান

জাপানের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় ফুকুশিমা জেলার মৎস শিকারীরা, নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে তাদের প্রথম মাছের চালান নিয়ে এসেছেন। ২০১১ সালে পরমাণু দুর্ঘটনার দরুন এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।

মাছ পরীক্ষার সময় জেলেরা সামুদ্রিক পণ্যের ধরন এবং শিকারের পরিমাণ সীমিত রেখেছিলেন। সেই সঙ্গে কত বার ধরা হবে, সেই সংখ্যাও সীমিত রাখা হয়েছিল। সামুদ্রিক পণ্যগুলো তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরে সেগুলো চালান দেওয়া হয় বাজারের প্রতিক্রিয়া নির্ধারণের জন্য।

বৃহস্পতিবার থেকে জেলেরা শিকারের পরিমাণ বাড়াতে শুরু করেন। তারা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে শিকারের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। এই ভাবে তারা ফুকুশিমা দাইইচি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার আগে যে পরিমাণ শিকার করা হোত, সেই স্বাভাবিক অবস্থাতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

পরীক্ষার পর ইওয়াকি শহরের একটি বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলো তাদের শিকার করা সামুদ্রিক পণ্যের প্রথম চালান নিয়ে আসে। তারপর ফ্ল্যাটফিশ, অ্যাংলারফিশ এবং সামুদ্রিক পণ্য নিলামে দেওয়া হয়।

একজন মৎসজীবী বলেন, পরমাণু দুর্ঘটনার পর ফুকুশিমা জেলায় পাইকারি ব্যবসায়ীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় তিনি এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে আংশিক এই কারণে ফুকুশিমার অদূরে সমুদ্র থেকে শিকার করা সামুদ্রিক পণ্যের বাজার হয়তো দুর্বল থাকবে। তবে তিনি বলেন স্থানীয় মৎস শিল্পের পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি শিকারের পরিমাণ বাড়াতে চান।