মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মিয়ানমারের চলমান সহিংসতার জবাবে ঐকমত্যে উপনীত হতে ব্যর্থ হয়েছে।

ব্রিটেনের অনুরোধে বুধবার পরিষদ জরুরি এক বৈঠকে মিলিত হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে এটা ছিল তৃতীয়বার পরিষদের বৈঠকে মিলিত হওয়া।

পশ্চিমের কয়েকটি দেশ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অস্ত্র বিধিনিষেধ আরোপ অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেরকম একটি প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আসছে।

মিয়ানমারের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বুর্গেনার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের শুরুতে “একটি রক্তস্নান সেখানে অবশ্যম্ভাবী” উল্লেখ করেন এবং “সবচেয়ে খারাপ ফলাফল” যেন এড়িয়ে যাওয়া যায়, সেজন্য মতপার্থক্য দূর করে নেয়ার আহ্বান দূতদের প্রতি জানান।

তবে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড মিয়ানমারের উল্লেখ করেননি। জাতিসংঘে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত বারবারা উডওয়ার্ড আভাস দিয়েছেন যে পরিষদ সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে আলোচনা করা অব্যাহত রাখবে।

জাতিসংঘে চীনের মিশন তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে যে জাতিসংঘে চীনের রাষ্ট্রদূত ঝাং জুন বৈঠকে বলেছেন, “এক-পাক্ষিক চাপ এবং নিষেধাজ্ঞার জন্য” আহ্বান জানানো “উত্তেজনাই কেবল বাড়িয়ে দেবে” এবং “পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলবে।”