মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর উপর চাপ বাড়িয়ে নেয়া প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০১৩ সালের একটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির অধীনে দেশটির সাথে হওয়া সব ধরনের বাণিজ্যিক যোগাযোগ বা সম্পর্ক স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মিয়ানমারে নাগরিকদের উপর চলমান সামরিক দমনাভিযানের মাঝে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর সোমবার এই ঘোষণা দেয়।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথেরিন টাই এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর “বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর সহিংসতা চালানোর” তীব্র নিন্দা জানায়।

টাই বলেন, এই সহিংসতা দেশটির গণতন্ত্রে উত্তরণ এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধশালী ভবিষ্যৎ অর্জনের প্রচেষ্টার উপর সরাসরি আঘাত।

দপ্তরটির ভাষ্যানুযায়ী, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত কোন সরকার ফিরে না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারে অর্থনৈতিক সংস্কারকে সমর্থন দেয়ার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ কাঠামো চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে সহযোগিতা এবং আলোচনার জন্য একটি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ইতিমধ্যে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সাথে গভীর সম্পর্ক থাকা কোম্পানিগুলোর উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

এদিকে, মিয়ানমারের একটি স্থানীয় মানবাধিকার গ্রুপ বলছে, সামরিক অভ্যুত্থান হওয়ার পর থেকে সোমবার পর্যন্ত কমপক্ষে ৫শ ১০ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।