টোকিওতে টিকাদান কর্মসূচি সংক্রমণের চতুর্থ তরঙ্গ রোধ করবে নাঃ গবেষণা দল

জাপানের একটি গবেষণা দল জানিয়েছে, চলমান করোনাভাইরাস টিকাদান কর্মসূচি আগামী মাসগুলোতে রাজধানী টোকিও’তে সংক্রমণের আরেকটি সম্ভাব্য বৃদ্ধি রোধে সাহায্য করার ক্ষেত্রে কেবল সীমিত প্রভাব ফেলবে।

ৎসুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ২১শে মার্চ জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরে টোকিও’তে কিভাবে সংক্রমণ বিস্তার লাভ করবে, তার অনুমিত হিসাব বের করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করেছেন।

তারা ধারণা করেছেন যে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার গত গ্রীষ্মে প্রথম জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পরের সময়ের মতই হবে।

গবেষণায় দেখা যায় যে, টিকাদান কর্মসূচি ব্যতিরেকে রাজধানীতে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দৈনিক ১ হাজার ৮শ ৫০টি নতুন সংক্রমণের মাধ্যমে চতুর্থ তরঙ্গ এর চূড়ায় উঠবে। অন্যদিকে, টোকিও’তে যদি প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার প্রবীণ নাগরিক বা মোট জনগোষ্ঠীর ০.৩ শতাংশকে টিকা দেয়া শুরু হয়, তবে মে মাসে দৈনিক সংক্রমণ ১ হাজার ৬শ ৫০’এ উন্নীত হয়ে এর চূড়া স্পর্শ করবে। এটি টিকাদান কর্মসূচি না চলার পরিস্থিতি থেকে কেবল ১০.৮ শতাংশ হ্রাস।

আর যদি টিকাদান দ্রুত বাড়িয়ে দৈনিক প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার ব্যক্তি বা টোকিও’র মোট জনগোষ্ঠীর ১ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তবে প্রাদুর্ভাব চূড়ায় অবস্থানকালীন দৈনিক নতুন সংক্রমণ হবে ১ হাজার ৫শ ৪০টি। এটি ১৬.৮ শতাংশ হ্রাস।

সিমুলেশনের মাধ্যমে বের করা সম্ভাব্য এই পরিস্থিতিসমূহ থেকে দেখা যাচ্ছে যে টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে একটি চতুর্থ তরঙ্গ রোধের সম্ভাবনা কম।

ৎসুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কুরাহাশি সেৎসুইয়া বলেছেন, এমনকি টিকাদান কর্মসূচি মসৃণভাবে চললেও জুলাই মাসের আগে তা সংক্রমণ থামাতে সহায়তা করা শুরু করবে না।