সামরিক বিমান হামলার কারণে পালাচ্ছেন মিয়ানমারের বাসিন্দারা

মিয়ানমারের কারেন জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর একটি সংগঠন বলছে, সামরিক হামলার কারণে ৩ হাজারেরও বেশি অধিবাসী পার্শ্ববর্তী দেশ থাইল্যান্ডে পালিয়েছেন।

সামরিক বাহিনীর কাছে বিমান হামলা বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়ে রবিবার সংগঠনটি এই ঘোষণা দেয়।

মিয়ানমারের রাষ্ট্র-পরিচালিত টেলিভিশন রবিবার রাতে জানায় যে একটি জঙ্গি বাহিনী অস্ত্রবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে একটি সামরিক ছাউনিতে হামলা চালিয়েছে। সামরিক বাহিনী যে শনিবার দক্ষিণপূর্বের রাজ্য কারেনের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, এটিকে তার স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখা হয়েছে।

গণমাধ্যমটি এও উল্লেখ করে যে সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবে, যা তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দেয়।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীসমূহের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক সশস্ত্র সদস্যরা ১লা ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত প্রতিবাদকারীদের সহায়তা দিয়ে আসছেন।

পিইদাউংসু হ্লুত্তাও’এর প্রতিনিধিত্ব করা কমিটির সাহায্যের আবেদনে তারা সাড়া দিয়ে চলেছেন, যেটিতে অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত আছেন। উল্লেখ্য, সুচি সামরিক বাহিনীর হাতে আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম।

এদিকে, সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দমনাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে, শনিবার সশস্ত্র বাহিনী দিবসে ১শ ১৪ ব্যক্তির মৃত্যুর পর রবিবার আরও পাঁচ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন যা অভ্যুত্থানের পরে কোন এককদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের মৃত্যুর ঘটনা।