শীর্ষ বৈঠকের পরে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিবৃতির পরিকল্পনা

জাপান-যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তা চুক্তির পঞ্চম অনুচ্ছেদ যে পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত সেনকাকু দ্বীপমালার উপর প্রযোজ্য, সেটি নিশ্চিত করে দুই দেশ একটি যৌথ বিবৃতি দেয়ার বিষয় বিবেচনা করছে। জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের মধ্যে একটি বৈঠকের পরে এটি দেয়া হবে।

এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাপানের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ডের প্রতিরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্টের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জাপান ঐ দ্বীপগুলো নিয়ন্ত্রণ করলেও চীন ও তাইওয়ান সেগুলোর দাবী করছে। জাপান সরকার এই অবস্থান বজায় রেখে চলেছে যে ঐ দ্বীপমালা ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে জাপানের নিজস্ব ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের ভাষ্যানুযায়ী, এক্ষেত্রে সার্বভৌমত্ব সমাধানের কোন বিষয় নেই।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিককালে চীনের সরকারি জাহাজগুলো সেনকাকু দ্বীপমালার অদূরে জাপানের নিজস্ব জলসীমায় উপর্যুপরি অনুপ্রবেশ করেছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা ইয়োশিহিদের এপ্রিলের ৮ তারিখ মার্কিন রাজধানীতে সফর শুরুর পাশাপাশি এরপরের দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তার বৈঠকের সূচি নির্ধারিত রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাইডেনের সঙ্গে এবারই প্রথম কোন বিদেশি নেতার সরাসরি বৈঠক হবে।

বৈঠক পরবর্তী বিবৃতিতে, জাপান-যুক্তরাষ্ট্র মৈত্রী জোরদার এবং একটি মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে দুই সরকারের কর্মকর্তারা এখন কাজ করছেন।

উত্তর কোরিয়ার ব্যলিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো একটি সম্পূর্ণ, যাচাইযোগ্য এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে ধ্বংস করার জন্য, দু’নেতার এই বৈঠককে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, উত্তর কোরিয়া গত বৃহস্পতিবার একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

এছাড়া, তারা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।