সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী আগামী শনিবার আসন্ন সশস্ত্র বাহিনী দিবসের প্রাক্কালে “পুরস্কার এবং শাস্তি প্রদান” পন্থা গ্রহণ করছে বলে দৃশ্যত: মনে হচ্ছে। একদিকে যেমন তারা বেসামরিক লোকজনের দমন জোরালো করে নিচ্ছে অন্য দিকে আবার শয়ে শয়ে প্রতিবাদকারীদের মুক্তি দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে যে মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনী দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ের এক বাড়িতে প্রবেশ করে গুলি চালাতে শুরু করে। সাত বছরের এক বালিকা ঐ হামলায় প্রাণ হারায়।

স্থানীয় এক মানবাধিকার গ্রুপ বলছে যে বুধবার পর্যন্ত দমনের সাথে সংযোগ রয়েছে কমপক্ষে এমন ২৭৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের প্রাক্কালে নেপিদো’তে বিরাট আকারের এক মহড়া অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়টি রাষ্ট্র পরিচালিত টেলিভিশন জানায়।

এদিকে, বুধবার অং সান সু চি’র আদালতে শুনানির কথা ছিল যা হঠাৎ করে পিছিয়ে দেয়া হয়।

সামরিক অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে থাকা ছয়শোর বেশি বিক্ষোভকারীদের ঐ একই দিন মুক্তি দেয়া হয় বলে জানা গেছে।

প্রতিবাদকারীরা রাস্তায় নামা থেকে বিরত থাকলেও বাড়িতে থেকে কার্যকর ভাবে এক ধর্মঘট পালনের মাধ্যমে সামরিক জান্তার প্রতি বিরোধিতা ব্যক্ত করেন।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিতে সামরিক বাহিনী ব্যস্ত থাকলেও ঐ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সম্ভবত এতে যোগ দেবেন না।