শিনঝিয়াং নিয়ে সমন্বিত চাপের মুখে চীন

যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের গোয়েন্দা মিত্ররা চীনের শিনঝিয়াং’এর উইঘুর এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীদের ক্ষেত্রে চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের “ব্যাপক” সাক্ষ্য-প্রমাণের বর্ণনা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই ধরনের অত্যাচারের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে সোমবার চীনা কর্মকর্তাদের উপর সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরে তাদের এই মন্তব্য এলো।

তথাকথিত ফাইভ আইস গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগির জোটের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই গ্রুপে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, “চীনা সরকারের নিজস্ব দলিলাদি, উপগ্রহ চিত্রকল্প এবং প্রত্যক্ষদর্শীর শুনানি সহ এই সাক্ষ্য-প্রমাণ বেশ ব্যাপক”।

এতে এও বলা হচ্ছে, চীনের দমননীতির বিস্তৃত কর্মসূচির মধ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর মারাত্মক নিষেধাজ্ঞা, বাধ্যতামূলক শ্রমের ব্যবহার, বন্দী শিবিরে ব্যাপকভাবে আটক করে রাখা এবং বাধ্যতামূলকভাবে নিষ্ফলা করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই বিবৃতিতে নির্বিচারভাবে আটক করে রাখা উইঘুর এবং অন্যান্যদের মুক্তির পাশাপাশি ঐ অঞ্চলে জাতিসংঘের অনুসন্ধানকারীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়ার আহ্বানও চীনের প্রতি জানানো হয়।

চীন অবশ্য এইসব অত্যাচারের অভিযোগ অস্বীকার করে।