কারাদণ্ড সমর্থকদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে দিতে পারে: ট্রাম্প

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে যদি তার সাথে সম্পর্কের বিষয়ে মুখ বন্ধ রাখতে এক নারীকে অর্থ প্রদান সংক্রান্ত মামলায় তাকে গৃহবন্দী করা হয় বা কারাগারে রাখা হয়, তবে এটি তার সমর্থকদের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে দিতে পারে।

গত বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে ব্যবসায়িক রেকর্ড জাল করার জন্য একটি বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরে রবিবার ফক্স নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, এর মাধ্যমে কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রথম সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টে পরিণত হলেন ট্রাম্প।

ফক্স নিউজের একজন উপস্থাপক তাকে প্রশ্ন করেন যে বিচারক তাকে গৃহবন্দী করলে বা কারাদণ্ড দিলে তিনি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন। ট্রাম্প বলেন, "এটা আমার জন্য ঠিক আছে।"

তবে তিনি এও বলেন, "আমি নিশ্চিত নই যে জনগণ এর পক্ষে দাঁড়াবে কি না।" তিনি এও বলেন যে, "আমি মনে করি, জনসাধারণের পক্ষে এটি গ্রহণ করা কঠিন হবে। আপনি জানেন, কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়।"

আগামী ১১ই জুলাই এই মামলায় সাজা প্রদানের কথা রয়েছে। তবে, রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প। ফক্স নিউজের ভাষ্যানুযায়ী, এক্ষেত্রে,কারাদণ্ড দেওয়ার সম্ভাবনা কম, কারণ তার বয়স ৭৭ বছর এবং তিনি প্রথমবারের মতো অপরাধী হয়েছেন।