বাংলাদেশের উপহার দেয়া স্মারকস্তম্ভ নাগাসাকির শান্তি উদ্যানে স্থাপিত

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে প্রদান করা, শান্তির প্রতীক রূপী একটি স্মারকস্তম্ভ, নাগাসাকি শহরের শান্তি উদ্যানে স্থাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ২৮শে মে স্মারকস্তম্ভ উন্মোচন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে।

উন্মোচন অনুষ্ঠানটি নাগাসাকি শহরের শান্তি উদ্যানে আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী, নাগাসাকি শহরের মেয়র সুযুকি শিরো এবং আণবিক বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজনদের সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মেয়র সুযুকি একটি ভাষণ দেন এবং বলেন, "এটি শান্তির জন্য বাংলাদেশের অসাধারণ আবেগ ও সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ এবং বিশ্বকে শান্তির গুরুত্ব জানাতে দারুণ সহায়ক হবে।"

নতুন এই স্মারকস্তম্ভটির নাম "ও মাই বার্ড" এবং এটি একজন বাংলাদেশি স্থপতির দ্বারা নকশা করা হয়েছে।

স্মারকস্তম্ভটিতে বাংলাদেশে বহুল চর্চিত শোকের প্রতীক হিসেবে কালো রঙের ব্যবহার করা হয়েছে, যা অকল্যাণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ঘোষণা করে।

অধিকন্তু, স্তম্ভটির শীর্ষে অবস্থিত সাদা পায়রা শান্তি, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির প্রতি অগ্রগতির দিক নির্দেশ করেছে।

এই শান্তি উদ্যানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং অঞ্চল থেকে উপহার হিসেবে প্রদান করা স্মারকস্তম্ভগুলো স্থাপন করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ থেকে প্রদান করা উপহারটি এই পার্কের ১৭তম স্মারকস্তম্ভ।

আণবিক বোমা হামলায় বেঁচে থাকা নাগাসাকির পরিবারসমূহের সমিতির সভাপতি হোন্দা তামাশিই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। তিনি বলেন, "আমি আশা করি যে, এই স্মারকস্তম্ভের মাধ্যমে, নাগাসাকিই যেনো আণবিক বোমা হামলার সর্বশেষ স্থান হয়, সেই অনুভূতি বিশ্ববাসীকে জানানো হবে।"

অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোকতাদির চৌধুরী আরও বলেন, "আমরা যুদ্ধ এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের বিরোধিতা করি, এবং আমরা পায়রার প্রতিনিধিত্ব করা চিরন্তন শান্তি কামনা করি।"