বিশ্ব নেতারা গাজায় 'বেদনা বৃদ্ধির' বলিষ্ঠ সমালোচনা করেছেন

রাফায় ইসরায়েলি সেনা মোতায়েন নিয়ে বিশ্ব নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করে চলেছেন। বিপর্যস্ত মানবিক পরিণতি নিয়ে নিজেদের "গভীর উদ্বেগ" তারা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযান চালিয়ে যাওয়া এবং "বিজয়ের পথে এগিয়ে যাওয়া" অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার বিমানযোগে গাজা সফর করেন এবং সেনা অধিনায়কদের দেয়া বর্ণনা শুনেন। ইসরায়েলের ব্‌নেই নেৎজারিম ঘাঁটিতে নিজের সৈন্যদের তিনি বলেছেন যে, হামাস যোদ্ধাদের ব্যবহার করা "পাইপলাইন" ধ্বংস করে দিতে বিজয় অপরিহার্য।

নেতানিয়াহু বলেছেন, "এই যুদ্ধ, যার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেন আপনারা, সেটা হচ্ছে এমন এক যুদ্ধ এই অভিযানের অনেক কিছু যা নির্ধারণ করবে।"

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের অভিযান জোরদার করে নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার তারা বলেছিল যে, সৈন্যরা ইসরায়েলে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার করা "রকেট উৎক্ষেপণ অবকাঠামো" ধ্বংস করেছে।

শুক্রবার তারা জানায় যে, তিনজন জিম্মির মৃতদেহ তারা উদ্ধার করেছে, অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে হামাসের হামলার সময় একটি সঙ্গীত উৎসব থেকে পালানোর চেষ্টা করার সময় যারা নিহত হন এবং তাদের মৃতদেহ এরপর গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আরব লীগের সদস্যরা বৃহস্পতিবার একটি শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয় এবং যুদ্ধবিরতি প্রচেষ্ট বাধাগ্রস্ত করা ও আগ্রাসন বৃদ্ধি করার জন্য ইসরায়েলি নেতাদের নিন্দা করে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেন এবং নেতাদের বলেন যে, ফিলিস্তিনি জনগণের "সম্মিলিত শাস্তি" হিসাবে যেটাকে তিনি আখ্যায়িত করেছেন, কোনো কিছুই সেটাকে ন্যায়সঙ্গত করে তুলতে পারে না।

গুতেরেস বলেন: "রাফায় যে কোনো হামলা অগ্রহণযোগ্য। জীবন রক্ষাকারী সাহায্যের যখন আমাদের প্রয়োজন, সেরকম এক সময়ে এটা হবে যন্ত্রণা ও দুর্দশা বৃদ্ধির আরও একটি দৃষ্টান্ত।"

আরব নেতারা দুই-রাষ্ট্র ভিত্তিক সমাধান বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েনের আহ্বান জানিয়েছেন।