বাংলাদেশ তাপ-সম্পর্কিত ঝুঁকি মোকাবিলার উপায় অনুসন্ধান করছে

এপ্রিল মাসে অত্যধিক তাপপ্রবাহ সহ্য করার পর বাংলাদেশ তাপ সংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবিলার নতুন উপায় খুঁজছে।

দেশটির সরকার গত মাসে সরকারি স্কুলগুলোকে এক সপ্তাহব্যাপী বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল, যখন তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি এবং তারও বেশিতে গিয়ে পৌঁছায়। এই পদক্ষেপের ফলে প্রায় ৩০ মিলিয়ন শিশু প্রভাবিত হয়েছে।

ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা বিষয়ক জাতীয় নির্দেশিকা প্রবর্তন করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গর্ভবতী মহিলাসহ শিশু এবং অসহায় জনগোষ্ঠীকে তাপজনিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা।ইউনিসেফ বলছে, প্রতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার ফলে সময়ের আগেই বাচ্চা প্রসবের ঝুঁকি ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

সংস্থাটি বলেছে যে তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা মোকাবিলা করা এবং স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেশের শিশুদের স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যত প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয়।

ইউনিসেফের সাম্প্রতিক অনুমান অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৩৫.৫ মিলিয়ন শিশু উচ্চ তাপপ্রবাহের সম্মুখীন হবে, যা হলো সেই সময়কার মোট শিশুর সংখ্যার ৯৯ শতাংশ।