এআই অস্ত্র নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘের কর্মকর্তা

জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দপ্তরের প্রধান বলেছেন, জাতিসংঘ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সামরিক ব্যবহারের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই কর্মকর্তা আশা প্রকাশ করেন যে, এধরনের সচেতনতা এই অস্ত্রবিষয়ক আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনাকে ত্বরান্বিত করবে।

আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি নাকামিৎসু ইযুমি'র সাক্ষাৎকার এনএইচকে গ্রহণ করেছে। গাজা উপত্যকা এবং ইউক্রেনে এআই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশ এধরনের অস্ত্র উৎপাদন করছে।

নাকামিৎসু বলেন, একধরনের সঙ্কটের অনুভূতি তিনি বোধ করছেন, কারণ এআই অস্ত্রগুলোকে আসলে যুদ্ধকালীন ব্যবহারের জন্যই উন্নয়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন যে, তার আশঙ্কা এআই অস্ত্র প্রযুক্তি যুদ্ধ পরিচালনা এবং লড়াইয়ের প্রচলিত পদ্ধতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বয়ে আনবে।

বিশেষ করে প্রাণঘাতী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবস্থা বা এলএডব্লিউএস সম্পর্কে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এই ধরনের অস্ত্র মানুষের নির্দেশনা ছাড়াই লক্ষ্য নির্ধারণ এবং আক্রমণ পরিচালনা করতে সক্ষম।

গত বছর, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোকে ২০২৬ সালের মধ্যে এলএডব্লিউএস-বিষয়ক একটি আইনগত বাধ্যতামূলক কাঠামো গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বর্তমানে এই অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কোন আন্তর্জাতিক আইন নেই।

সেই ইস্যুতে, নাকামিৎসু যে দেশগুলো ইতোমধ্যে এই অস্ত্র প্রযুক্তির উন্নয়ন করছে এবং যে দেশগুলো করছে না, তাদের মধ্যকার ব্যবধান তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, বড় সামরিক শক্তিগুলো এলএডব্লিউএস সংশ্লিষ্ট অস্ত্র উন্নয়নে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে।