ফ্লাইট রেকর্ডারে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারগুলোতে কোনও অস্বাভাবিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি: এমএসডিএফ

জাপানের নৌ-আত্মরক্ষা বাহিনী বা এমএসডিএফ জানিয়েছে যে গত শনিবার সংঘটিত তাদের দুটি হেলিকপ্টারের মারাত্মক দুর্ঘটনার স্থান থেকে উদ্ধারকৃত ফ্লাইট রেকর্ডারে এখনও পর্যন্ত ওই আকাশযানগুলোতে কোনও অস্বাভাবিকতার ইঙ্গিতবাহী তথ্য পাওয়া যায়নি।

দুটি এসএইচ-৬০-কে টহল হেলিকপ্টার প্রশান্ত মহাসাগরের ইযু দ্বীপপুঞ্জের তোরিশিমা দ্বীপের কাছে বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় আটজন ক্রু সদস্যের মধ্যে একজন নিহত এবং অন্যরা নিখোঁজ রয়েছেন।

হেলিকপ্টারগুলো ডুবোজাহাজ খুঁজে বের করার জন্য রাত্রীকালীন প্রশিক্ষণে নিয়োজিত ছিল।

এমএসডিএফ কর্মকর্তাদের ভাষ্যানুযায়ী, ধ্বংসাবশেষের টুকরোগুলোকে একটি হেলিকপ্টারের ঘূর্ণায়মান পাখার ব্লেড বলে মনে হচ্ছে এবং একটি দরজাও খুঁজে পাওয়া গেছে, তবে হেলিকপ্টারগুলোর কাঠামোর মূল অংশ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট স্থানটির চারপাশের সমুদ্রের গভীরতা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মিটার হওয়ায়, এমএসডিএফ সেখানে একটি সোনার অনুসন্ধান পরিচালনা করার জন্য একটি মহাসাগরীয় পর্যবেক্ষণ জাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে।

এমএসডিএফ'এর কর্মকর্তারা বলছেন যে এক্ষেত্রে, মাঝ আকাশে দুটি বিমানের সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।

এদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিহারা মিনোরু সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে গতকাল রবিবার উদ্ধার করা দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার এখনও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।