পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা ছয় সপ্তাহ ধরে অব্যাহত

মধ্য জাপানে নববর্ষের দিনে বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হানার ছয় সপ্তাহ পরেও পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠন প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নোতো উপদ্বীপে স্বেচ্ছাসেবকরা সাহায্য করছেন, তবে স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য থাকার ব্যবস্থা খুবই অপ্রতুল।

ইশিকাওয়া জেলার কানাযাওয়া শহর থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের বাসে করে আপাতত তাদের কাজের স্থানে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ছে। কেননা, কানাযাওয়া শহরে তুলনামূলক উন্নত আবাসন অবকাঠামো রয়েছে।

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ওয়াজিমা শহরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

কোইয়ামা মাসাকি একজন ঐতিহ্যবাহী ল্যাকারওয়ার চপস্টিক বার্ণিশের কারিগর। ভূমিকম্পে কারখানার পাশাপাশি তার বাড়িরও ক্ষতি হয়, ফলে এখন তিনি কাজ করতে পারছেন না।

দুর্যোগের পর থেকে তিনি ত্রাণসামগ্রী সরবরাহজনিত ব্যবস্থাপনা কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন।

কোইয়ামা বলেন, "এমন কেউ কেউ রয়েছেন, যারা আমার চেয়েও অনেক কঠিন সময় পার করছেন, তাই আশা করি আমি তাদের সাহায্যের জন্য কিছু করতে পারব।"

এদিকে, ওয়াজিমা নগর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই সরকারি অর্থায়নে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ভেঙে ফেলার বিষয়ে ব্যক্তিগত পরামর্শ প্রদান শুরু করেছে।

ইশিকাওয়া জেলায় ৬০,০০০-এরও বেশি বাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। শহরের কর্মকর্তারা বলছেন যে, কর্তৃপক্ষ এপর্যন্ত প্রায় ৫০০টি অনুসন্ধানজনিত অনুরোধ পেয়েছেন।

এখনও পর্যন্ত ২৪১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং কমপক্ষে ২৩,০০০ মানুষ এখনও ইশিকাওয়া জেলার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আশ্রয়কেন্দ্রেগুলোতে বাস করছেন।