রাফাহ'তে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ অন্তত ৪৪ জন নিহত

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের পরিকল্পিত স্থল আক্রমণের আগে দক্ষিণ গাজার শহর রাফাহ'তে হামলা জোরদার করছে। ইসরায়েলের ভাষ্যানুযায়ী, গতকাল শনিবার রাফাহ'তে একটি বিমান হামলায় হামাসের একজন নির্বাহী নিহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে যে, রাফাহ শহরের বাড়িগুলোতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় এক ডজনেরও বেশি শিশু'সহ কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইসরায়েল রাফাহ'তে স্থল অভিযান শুরু করার হুমকি দিচ্ছে, যেখানে দশ লক্ষেরও বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন। বিশ্বের কয়েকটি দেশের সরকার এই বলে সতর্ক করছে যে ওই অভিযানের ফলে বিপুল সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে যে, তারা রাফাহ শহরে ইসরায়েলি হামলার হুমকির তীব্র নিন্দা জানায়। কাতার ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করে আসছে।

এদিকে, ইসরায়েলি বাহিনী শনিবার ঘোষণা করেছে যে, তারা একটি সুড়ঙ্গ খুঁজে পেয়েছে যা ইউএনআরডব্লিউএ'র সদরদপ্তর হিসাবে ব্যবহৃত একটি দালানের নিচে দিয়ে গেছে। ইউএনআরডব্লিউএ হল নিকট প্রাচ্যে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম বিষয়ক সংস্থা।

ইসরায়েলি বাহিনী এও বলছে যে, সুড়ঙ্গটি ৭শ মিটার দীর্ঘ এবং ১৮ মিটার গভীর। তারা আরও দাবি করে যে সংস্থার সদরদপ্তরের সাথে সংযুক্ত বৈদ্যুতিক অবকাঠামো থেকে বোঝা যায় যে ইউএনআরডব্লিউএ সুড়ঙ্গটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।

ইউএনআরডব্লিউএ'র কমিশনার-জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি অবশ্য বলেছেন যে, গাজায় তাদের সদরদপ্তরের নিচে কী ছিল, সেসম্পর্কে সংস্থাটি অবগত ছিল না এবং গত অক্টোবর মাসেই ইউএনআরডব্লিউএ'র কর্মীরা এই স্থাপনাটি ত্যাগ করেন।