রাফাহ আক্রমণের প্রস্তুতি নেতানিয়াহুর

সারা বিশ্বের নেতারা গাজার মানবিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেই সমালোচনাগুলো প্রতিহত করার পাশাপাশি লড়াই চালিয়ে যেতে দুই ধাপের একটি পরিকল্পনার নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার নেতানিয়াহু বলেন যে, ঘনবসতিপূর্ণ শহর রাফাহতে একটি "ব্যাপক" অভিযানের প্রয়োজন রয়েছে, যেখানে এক মিলিয়নেরও বেশি লোক বসবাস করেন অথবা আশ্রয় নিয়েছেন। স্থলবাহিনী যাওয়ার আগে বেসামরিক লোকজনকে সরিয়ে নিতে, তিনি তার সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। তবে, অন্যান্য এলাকা থেকে ইতোমধ্যে বিপুল সংখ্যক বাসিন্দা একাধিকবার সরে এসেছেন।

স্থল আক্রমণের আগে, ইসরায়েলি বাহিনী আকাশ থেকে হামলা শুরু করেছে।

হামলায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া এক মেয়ের ভাষ্যানুযায়ী, "আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম এবং আকস্মিক বোমা হামলার শব্দে আমরা জেগে উঠি। আমাদের মাথার ওপরে পাথর ছিল এবং এসময় আগুন জ্বলে ওঠে। আমি আমার মা, বাবা ও আমার ভাইবোনদের ডাকলেও তারা কোনো সাড়া দেয়নি"।

গাজায় গত চার মাস ধরে চলা যুদ্ধে ২৭ হাজার ৯৪৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এবিষয়ে এমনকি, ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও উদ্বেগ প্রকাশ করছে। গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, এই সামরিক অভিযানকে "অতিরিক্ত" বলে সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বেসামরিক লোকজনের দুর্ভোগ "বন্ধ করতে হবে"।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক গতকাল শুক্রবার সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, রাফাহ শহরের বেসামরিক নাগরিকদের যেকোনো হামলা থেকে রক্ষা করতে হবে এবং কোনোক্রমেই বলপ্রয়োগ করে তাদের বাস্তুচ্যুত করা যাবে না।