নোতো উপদ্বীপে ভূমিকম্পের পর ৩৫ হাজারেরও বেশি পরিবারে এখনও জল সরবরাহ নেই

মধ্য জাপানে নববর্ষের দিন ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া অনেক মানুষ এখনও জল সরবরাহ ফিরে পেতে সংগ্রাম করছেন। ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে পুরো অঞ্চলের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৪০ দিন অতিবাহিত হলেও প্রায় ৩৭ হাজার পরিবারে জল সরবরাহ এখনও বন্ধ আছে।

মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নানাও শহরের স্কুলগুলি বুধবার দুপুরের খাবার দেওয়া আবার শুরু করেছে। মেনুতে ছিল দুধ, ভাতের মণ্ড এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার, যেগুলো প্রস্তুত করার জন্য জলের প্রয়োজন নেই।

এলাকায় স্নান করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। পশ্চিম জাপানের একটি উষ্ণ প্রস্রবণ শহর, বেপ্পু সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছে। শত শত কিলোমিটার দূর থেকে তারা স্নানের জল পাঠিয়েছে যাতে বাসিন্দারা জলে গা ভিজিয়ে একটু আরাম করতে পারেন।

সুযু এবং ওয়াজিমা সিটির বেশিরভাগ বাড়িতে এখনও জল নেই৷ ভূগর্ভস্থ জলকে অস্থায়ী জল সরবরাহ হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে৷

কর্মকর্তারা সুযুর কূপগুলি পরীক্ষা করেছেন, তবে তারা বলছেন সেখানকার জল আরও এক মাসের জন্য নিরাপদ কিনা তা তাদের জানা নেই। সেই জল ব্যবহারযোগ্য হলে স্নান করা বা টয়লেটের সিস্টার্ন ভরার মত প্রতিদিনের কিছু চাহিদা পূরণ করতে কূপের জল ব্যবহার করা যেতে পারে বলে তারা জানান।

অসুস্থদের চিকিৎসা করার জন্যেও জলের প্রয়োজন। নানাও শহরের নোতো জেনারেল হাসপাতাল অবশেষে জল সরবরাহ পুনরুদ্ধার করার পর ডায়ালিসিস চিকিৎসা পুনরায় শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। ডায়ালিসিসের জন্য রোগী প্রতি ৫০০ লিটার জলের প্রয়োজন।

হাসপাতালের ডাঃ ইযুমিয়া ইয়োশিয়াকি বলেন, "আমরা এই চিকিৎসা প্রদান করতে না পারলে রোগীদের জন্য তা প্রাণঘাতী হতে পারে। এই এলাকায় চিকিৎসা সেবা উন্নত করতে আমরা সাহায্য করতে পারব বলে আশা করছি।"