গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অগ্রগতির জন্য চাপ দিচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওয়াশিংটনের শীর্ষ কূটনীতিক ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিশ্চিত করতে সেই অঞ্চল সফরকালে চাপ প্রয়োগ করছেন। দুই পক্ষের মধ্যে চার মাস ধরে সংঘাত চলার পর গাজায় মৃতের সংখ্যা এখন ২৭,৫০০ ছাড়িয়ে গেছে।

কাতার, মিশর এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সর্বশেষ চুক্তির ফলে জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে যুদ্ধে বিরতি লক্ষ্য করা যাবে। মঙ্গলবার কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন বলেছেন, এই প্রস্তাব নিয়ে ইসরায়েলকে চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

ব্লিনকেন বলেন, "ইসরায়েলের সাথে এটা ভাগাভাগি করে নেয়া হয়েছে, আগামীকাল ইসরায়েলে অবস্থানকালে আমি এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করব এবং একটি মতৈক্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কঠোর প্রচেষ্টা আমরা চালাবো।"

কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানি বলেন, "আমাদের যা মনে হচ্ছে অন্তত আমরা যেমনটি হাতে পেয়েছি তা দেখে এর সামগ্রিক সম্ভাবনা বিষয়ে আমাদের যা ধারণা তা হল আরও আশাব্যঞ্জক এবং আরও ভাল ফলাফল এর থেকে পাওয়া যাবে।"

তারা বলেছেন যে পরিকল্পনার প্রতি হামাসের প্রতিক্রিয়া "সাধারণত ইতিবাচক"। তবে আরও বিস্তারিত কিছু তারা জানান নি।

এদিকে, ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছে। তাদের বাহিনী দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরের দিকে অগ্রসর হওয়ার হুমকি দিয়েছে, এক মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি যেখানে আশ্রয় নিয়েছেন।

ইসরায়েলের একজন সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, হামাসের হাতে জিম্মি হওয়া ৩১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমস বলেছে যে কমপক্ষে আরও ২০ জন জিম্মি নিহত হয়ে থাকতে পারে বলে ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করা হয়নি এমন কিছু তথ্য পর্যালোচনা করে দেখছেন।