গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পাথরের চিত্র ধারণ করেছে জাপানের চন্দ্র অনুসন্ধান যান

জাপানের মহাকাশ বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যানুযায়ী, দেশের 'স্লিম' নামের চন্দ্র অনুসন্ধান যানটি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে সর্বোচ্চ দশটি পাথরের তথ্য সরবরাহ করেছে। তারা এখন চাঁদের উৎপত্তির উপর আলোকপাত করার আশা করছেন।

উল্লেখ্য, চাঁদে অনুসন্ধান চালানোর চৌকস যানটি গত ২০শে জানুয়ারি অবতরণ করে।

তবে একটি সৌর প্যানেল ভুল দিকে অবস্থান করায়, যানটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছিল না। পরবর্তীতে, কিছু সূর্য রশ্মির সংস্পর্শে আসার বেশ কয়েক দিন পর 'স্লিম' নামক যানটি অনুসন্ধান তৎপরতা আরম্ভ করে।

রিৎসুমেইকান বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবী ও মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের সাইকি কাজুতো, 'স্লিম' ব্যবহার করে চন্দ্র শিলা পর্যবেক্ষণের জন্য একটি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন।

যানটিতে স্থাপিত একটি বিশেষ ক্যামেরা, দলটিকে ১০টি পাথরের উপাত্ত সরবরাহ করেছে। সাইকি এনএইচকে'কে বলেন যে, এটিকে একটি সাফল্য হিসাবে বিবেচনা করতে হবে।

কুকুর প্রেমী সাইকি, কুকুরের জাত, যেমন টয় পুডল এবং শিবার মতো নামে পাথরের নামকরণের প্রস্তাব করেন।

দলটি এখন এগুলো জলপাই সবুজ রঙের অলিভিন পাথর কিনা তা নির্ধারণের জন্য কাজ করছে।

খনিজ পাথরগুলোর সন্ধান, পৃথিবী এবং অন্য একটি ছোট গ্রহের মধ্যে সংঘর্ষজনিত ধ্বংসাবশেষ থেকে চাঁদের সৃষ্টি, এমন তত্ত্বটিকে শক্তিশালী করতে পারে।

আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে এই গবেষণার ফলাফল ঘোষণার প্রত্যাশা করছেন সাইকি।