নোতো উপদ্বীপ এবং আশেপাশের এলাকায় ভূমিকম্প সংঘটনের হার বেড়েছে: বিশেষজ্ঞ

একজন জাপানি গবেষক বলেছেন যে নববর্ষের দিনে মধ্য জাপানের নোতো উপদ্বীপের অনেক এলাকাকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করা মারাত্মক ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থলের চারপাশে একটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ভূমিকম্প সংশ্লিষ্ট কার্যকলাপ বেড়েছে।

তিনি এই বলে সতর্ক করছেন যে শুধুমাত্র কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি নয় বরং এর বাইরের বিস্তৃত এলাকায়ও ভূমিকম্প এবং ৎসুনামি আঘাত হানতে পারে।

তোহোকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তোদা শিনজি ১লা জানুয়ারির ভূমিকম্পের আগে প্রায় দুই বছর ধরে এই উপদ্বীপ এবং এর আশেপাশের এলাকায় পর্যবেক্ষণ করা ভূমিকম্পের দৈনিক সংখ্যার সাথে ভূমিকম্পের পরের ২৮ দিনে রেকর্ড করা সংশ্লিষ্ট সংখ্যার তুলনা করেন। বিশ্লেষিত এই ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে মানুষের অনুভব করতে পারার বাইরের ঝাঁকুনিও রয়েছে।

শক্তিশালী ভূমিকম্পটির কেন্দ্রভাগ উপদ্বীপের পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব পর্যন্ত বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত বলে অনুমান করা হচ্ছে।

তোদার ভাষ্যানুযায়ী, ভূমিকম্প সংঘটনের হার উপদ্বীপ এবং ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের পশ্চিমের সমুদ্রে ১০০ গুণেরও বেশি বেড়েছে।

অধ্যাপক এও বলেন যে, উপদ্বীপের গোড়ার কাছে অবস্থিত কানাযাওয়া এবং তোইয়ামা শহরেও ভূমিকম্পের হার প্রায় ১০ গুণ বেড়েছে।

তোদার ভাষ্যমতে, অল্প মাত্রার কম্পন ঘন ঘন ঘটছে বলে ওই এলাকায় বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি।