মধ্য জাপানের ভূমিকম্পে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা এক মাস পর ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর চেষ্টা করছেন

বৃহস্পতিবার মধ্য জাপানে ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর এক মাস পূর্ণ হয়েছে, যার ফলে ২০০ জনেরও বেশি নিহত এবং আরও কয়েক হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন। কর্তৃপক্ষ এখন বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের পুনরুদ্ধারের পথে দীর্ঘ যাত্রায় সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

ইশিকাওয়া জেলায় ২৪০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং অপর ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪৭ হাজারেরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়, যার মধ্যে বেশিরভাগই নোতো উপদ্বীপে।

এর ফলে ১৪ হাজারেরও বেশি লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে সরে যেতে বাধ্য হন। এদের মধ্যে ৪ হাজারের বেশি মানুষ প্রায়শই তাদের বাড়ি থেকে অনেক দূরে অবস্থিত পান্থশালা এবং হোটেলর মত গৌণ আশ্রয় কেন্দ্রে বাস করছেন।

অনেক এলাকায় মূল অবকাঠামো অকার্যকর হয়ে রয়েছে। প্রধানত নোতো উপদ্বীপে ৪০ হাজারটিরও বেশি বাড়ি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে জলের অভাব রয়েছে। মার্চের শেষ নাগাদ কিছু এলাকায় সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় এপ্রিল পর্যন্ত জল নাও থাকতে পারে।

ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ওয়াজিমা শহরেও বুধবার থেকে জরুরি আবাসন পাওয়া যাচ্ছে।

পুনরুদ্ধারের পথ খুবই দীর্ঘ হবে বলে স্থানীয় লোকজনের ধারণা। এদের একজন বলেন, "আমি মরিয়া হয়ে ভাবছি এখন থেকে আমার কী করা উচিত। ভবিষ্যতে কী হবে তা আমরা জানি না।"

বাড়ি এবং জীবিকা থেকে অনেক দূরে অস্থায়ী আবাসনে বসবাস করতে বাধ্য হওয়া বেঁচে যাওয়া লোকজনকে সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব বর্তায় কর্তৃপক্ষের উপর।

এর পরবর্তী ধাপে সম্ভবত স্থানীয় ব্যবসাগুলোকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করা জড়িত থাকবে।