২০২০ সাল থেকে অন্তত ৩৪০ জন মহিলা জাপানে ডিম্বাণু দান পেয়েছেন বলে এনএইচকে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে

এনএইচকে জানতে পেরেছে যে ২০২০ সাল থেকে জাপানে অন্তত ৩৪০ জন মহিলা কৃত্রিম গর্ভধারণের জন্য ডিম্বাণু দান পেয়েছেন।

জাপানে ডিম্বাণু দান নিষিদ্ধ নয়, তবে সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলী এখনও সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হয়নি। একারণে রোগ বা অন্যান্য কারণে বন্ধ্যাত্বে ভুগছেন এমন মহিলারা ছাড়া এই চিকিৎসা দেশে ব্যাপকভাবে পরিচালিত হয় না বলে ধারণা করা হচ্ছিল ।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে সন্তান ধারণে যারা আগ্রহী তারা সাধারণত বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করান।

জাপানে মহিলাদের জন্য ডিম্বাণু দানে মধ্যস্থতাকারী লোকজনকে দেশের ভিতর এধরনের চিকিৎসায় তারা মধ্যস্থতা করেছেন কিনা এনএইচকে সেই প্রশ্ন তাদের করে। তাদের মধ্যে সাতজন ইতিবাচক জবাব দিয়েছেন।

অনেকই বলেন যে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিদেশ ভ্রমণ কঠিন হয়ে যাওয়ার পরে তারা জাপানে ডিম্বাণু দানের কাজে মধ্যস্থতা শুরু করেন।

সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলীর অভাবের কারণে, কীভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় বা ডিম্বাণু দানের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক মাকে জানার অধিকার কীভাবে সুনিশ্চিত করা যায়, এধরনের বিভিন্ন সমস্যা এখনও সমাধানের অপেক্ষায় আছে।

প্রজনন ওষুধের বিশেষজ্ঞ কেইয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমেরিটাস ইয়োশিমুরা ইয়াসুনোরি বলেছেন, চিকিৎসা পেয়ে থাকা নারীদের অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতার কথা বলতে অনিচ্ছুক বা শিশুকে কীভাবে ঘটনাটি জানাবেন তা নিয়ে তারা অস্বস্তি বোধ করেন। তিনি বলেন, শিগগিরই নিয়ম বা নির্দেশিকা বাস্তবায়ন করা উচিত।