জাপানের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্বাস্তুদের ভূমিধস ও স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ

মধ্য জাপানের ইশিকাওয়া জেলা কর্তৃপক্ষের ভাষ্যানুযায়ী, আজ রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত, নববর্ষের দিনে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পটিতে মৃতের সংখ্যা ২৩৬-এ এসে দাঁড়িয়েছে।

এই সংখ্যার মধ্যে সম্ভাব্য দুর্যোগ-সংশ্লিষ্ট কারণে ১৫ জনের মৃত্যুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ কার্যালয়ের সংজ্ঞানুযায়ী "দুর্যোগ-সংশ্লিষ্ট মৃত্যু" বলতে, কম্পন এবং সুনামির মতো ঘটনাগুলোর দ্বারা সরাসরি না হয়ে, দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়ার মতো কারণে হওয়া মৃত্যুকে বোঝানো হয়।

ইশিকাওয়া জেলার ভাষ্যমতে, আজ রবিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ১৪ হাজার ৫৪৪ জন মানুষ অবস্থান করছিলেন।

এদিকে, উষ্ণ থাকার জন্য কম্বল ব্যবহার করার মতো সতর্কতা অবলম্বন করে, হাইপোথার্মিয়ার বিরুদ্ধে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ব্যায়াম করে রক্তনালীর জমাট বাঁধা কমিয়ে তথাকথিত ইকোনমি-ক্লাস সিন্ড্রোম এড়াতেও আশ্রয়গ্রহণকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এই সিন্ড্রোম প্রাণঘাতী হতে পারে।

ধারাবাহিক কম্পনের কারণে মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় সম্ভাব্য ভূমিধসের জন্যও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকা উচিত।

এদিকে, নোতো অঞ্চল ও এর আশেপাশের এলাকায় ভূমিকম্পের সংখ্যা কমে আসলেও সিসমিক কার্যকলাপ এখনো বেশি।

আজ রবিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত, শূন্য থেকে ৭ মাত্রার জাপানি পরিমাপক অনুযায়ী ১ বা তার চেয়ে বেশি তীব্রতার মোট ১ হাজার ৫৩৬টি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, ৫ প্লাস বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের জন্য লোকজনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন আবহাওয়া কর্মকর্তারা।