ইশিকাওয়ায় ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা স্থানান্তরীত হতে অনিচ্ছুক

নববর্ষের দিনে জাপানের নোতো উপদ্বীপে আঘাত হানা প্রবল ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া অনেক মানুষ এখনও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে দিনাতিপাত করছেন। তবে ব্যয় এবং খাবারের নিশ্চয়তা না পাওয়ার আশঙ্কায় তারা বিকল্প খুঁজে নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

ইশিকাওয়া জেলা কর্তৃপক্ষের ভাষ্যানুযায়ী, হোটেলের মতো অপেক্ষাকৃত ভাল সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন স্থাপনাগুলোতে ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ অবস্থান করতে সক্ষম হবেন।। তবে তাদের মতে, এপর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার ৩শ ব্যক্তি এই বিকল্প গ্রহণ করেছেন।

নোতো শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেয়া ৩০-এর কোঠার বয়সী এক ব্যক্তির ভাষ্যমতে, তিনি এরকম স্থাপনায় সরে যেতে চাইলেও তাকে জানানো হয়েছে যে এক্ষেত্রে খাবার সরবরাহ করা হবে না।

তিনি বলেন, "আমি জানি না এতে কত খরচ হবে, বা কতদিন সেখানে থাকতে হবে।এক্ষেত্রে, অনিশ্চয়তাই আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।"

জাপানের এসংক্রান্ত আইনে বলা হয়েছে যে কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই দুর্যোগে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছে খাবার পৌঁছে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তবে একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন যে, খাবার সরবরাহ করতে পারে এমন হোটেলগুলো ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে।

ওসাকা মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সুগানো তাকুর ভাষ্যমতে, অধিকাংশ অবশিষ্ট স্থাপনারই দিনে তিন বেলা খাবার সরবরাহের সক্ষমতা নেই।

তারা আরও বিকল্প খুঁজছে, এমন উল্লেখ করে ইশিকাওয়া জেলা কর্তৃপক্ষ এনএইচকে'কে জানিয়েছে যে, তারা বাণিজ্যিক হোটেল এবং সরাইখানাগুলোকে খাবার সরবরাহে সহায়তা করার অনুরোধ জানাচ্ছে।