জাপানি কোম্পানিগুলো ট্রান্সসিভারের জনপ্রিয়তার সুযোগ নিতে চাইছে

একযোগে একাধিক ব্যক্তির সাথে যোগাযোগকে সক্ষম করা ট্রান্সসিভার, জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এই জনপ্রিয়তা জাপানি কোম্পানিগুলোকে তাদের ট্রান্সসিভার পণ্য এবং ব্যবস্থার আবেদনকে পুনর্ববিন্যাস করতে এবং আরও শক্তিশালী করতে প্ররোচিত করেছে।

বৃহৎ টেলিকম কোম্পানি এনটিটি'র একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে যে তারা এপ্রিল মাস থেকে একটি অ্যাপের মাধ্যমে একটি নতুন পরিষেবা চালু করবে, যা স্মার্টফোনকে ট্রান্সসিভার হিসাবে কাজ করতে সক্ষম করবে।

অ্যাপটি দূরত্ব নির্বিশেষে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একযোগে সাড়ে ৩ হাজার লোকের সাথে যোগাযোগকে সম্ভব করবে। এছাড়া, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কথোপকথন লিখিত রূপে ধারণ করতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে যে তাদের এই পরিষেবা খুচরা এবং নির্মাণ খাতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে।

এদিকে, প্রচলিত রেডিও ট্রান্সসিভার বা ওয়াকি-টকির চাহিদাও বাড়ছে।

জেভিসি-কেনউড উত্তর আমেরিকার বাজারের জন্য একটি নতুন মডেল চালু করেছে, যা বিভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি এবং বিভিন্ন যোগাযোগের মান ব্যবহার করতে পারে। কোম্পানিটি জানিয়েছে যে তারা যন্ত্রটির পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং আঘাতের বিপরীতে এর স্থায়িত্বও বাড়িয়েছে।

জেভিসি-কেনউড'এর কর্মকর্তা কোবাইয়াশি হিরোমাসা বলেন, "বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতিতে যোগাযোগ করতে সক্ষম, এমন যন্ত্রের বেশ উচ্চ চাহিদা রয়েছে। সেই চাহিদা মেটাতে আমরা ট্রান্সসিভার তৈরি করছি।"

জেভিসি-কেনউড'এর ভাষ্যমতে, ২০২২ অর্থবছরে তাদের ট্রান্সসিভার বিক্রি এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।