সামুদ্রিক খাদ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে চীনের বিকল্প হিসেবে ভিয়েতনামকে বিবেচনা কিছু জাপানি কোম্পানির

চীন, জাপানের মৎস্যজাত পণ্য আমদানির উপর স্থগিতাদেশ অব্যাহত রাখার প্রেক্ষিতে, স্ক্যালোপ বা এক ধরনের ঝিনুক ও অন্যান্য পণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণের বিকল্প ভিত্তি হিসাবে ভিয়েতনাম ভূমিকা রাখতে পারে কিনা, সেটি বিবেচনার লক্ষ্যে দেশটি পরিদর্শন করেছে কিছু জাপানি কোম্পানি।

হোক্কাইদো, মিইয়াগি এবং অন্যান্য জেলার ১২টি সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গতকাল সোমবার রাজধানী হ্যানয়ে একটি ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন।

অংশগ্রহণকারীরা পরে একটি স্থানীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ স্থাপনা পরিদর্শন করেন। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি জাপানি প্রতিনিধিদের সামনে তাদের সরঞ্জাম এবং উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরে।

উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত জাপানে সংগৃহীত স্ক্যালোপ যুক্তরাষ্ট্র সহ ভোক্তা দেশগুলোতে রপ্তানি করার আগে খোলস থেকে আলাদা করে প্রক্রিয়াজাতকরণ করা হত চীনে। গত আগস্ট থেকে বেইজিং জাপানের সামুদ্রিক খাদ্য আমদানি স্থগিত করার প্রেক্ষিতে, জাপানি কোম্পানিগুলোর জন্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ভিত্তি হিসাবে চীনকে প্রতিস্থাপন করার লক্ষ্যে অন্য একটি এলাকা খুঁজে বের করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

জাপানি প্রতিনিধিদের একজন, হোক্কাইদো'র একটি সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হাসেগাওয়া হিরোইয়ুকি বলেন, তিনি এমন অংশীদারদের বেছে নিতে চান, যারা ভোক্তা দেশগুলোতে অবস্থিত, বা যারা পণ্যগুলোর সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে তৃতীয় দেশে রপ্তানি করতে পারা সহ বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে পারবে।

ইভেন্টটির আয়োজক জাপান বহির্বাণিজ্য সংস্থা বা জেট্রো'র ভাষ্যমতে, জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের সরবরাহ শৃংখলে বৈচিত্র্য আনতে হবে, কেননা ব্যবসায়িক অংশীদাররা কেবলমাত্র একটি দেশে কেন্দ্রীভূত থাকলে ব্যবসায়িক ঝুঁকিতে পড়া অনিবার্য।